ঢাকা, , ২৮ চৈত্র ১৪২৭ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব শক্তিগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারছে না’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব শক্তিগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারছে না’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব শক্তিগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। 

তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বিশ্ব শক্তিগুলো ব্যর্থ, যা তাদের জন্য লজ্জার। পশ্চিমা দেশগুলো রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে অল্প কিছু সেনা কর্মকর্তাকে নিষিদ্ধ করছে, যা যথেষ্ট নয়। সব দেশই মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। যারা শান্তি নিয়ে কাজ করে, তারাও নীরব।’


সোমবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ডিক্যাব আয়োজিত ‘নারী কূটনীতি’ বিষয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কুতুপালং বা ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাওয়া সমাধান নয়। তাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে।’ 

ড. মোমেন বলেন, ‘নারী দিবসে আমি বলতে চাই, সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রোহিঙ্গা নারীরা, যারা সবকিছুই হারিয়েছে। বাংলাদেশ যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলেও মিয়ানমার তা করছে না। প্রত্যাবাসন শুরু করার জন্য একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ তাদের প্রত্যাবাসন শুরু করতে বলেছে।’


তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস‌্যা সমাধান না করা হলে এ অঞ্চলে শান্তি ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।’ 

‘প্রায় তিন বছর আগে মিয়ামারের সেনারা রোহিঙ্গাদের টার্গেট করে হত্যা ও ধর্ষণ করেছিল এবং রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো পুড়িয়ে দিয়েছিল। জাতিসংঘ, রিফিউজি ইন্টারন্যাশনাল, ইউনাটেড স্টেটস হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এবং আরও অনেকেই এ বিষয়টি দেখেছে। সে সময় ৮ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা গণহত্যা থেকে বাঁচতে পালিয়ে এসেছিল। বাংলাদেশে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে জায়গা দিয়েছে। রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য বাংলাদেশ বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছে,’ বলেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবে নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধের সুযোগ নেই। সংবিধানে সে অধিকার দেওয়া নেই। পুরুষ শ্রমিক পাঠালে নারীদেরও সুযোগ দিতে হবে, এটাই সাংবিধানিক নিয়ম।’

  • সর্বশেষ - জাতীয়