ঢাকা, , ২৫ চৈত্র ১৪২৬ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

সংসদ সদস্য হতে এসে ইসিতে আটক ৭ জন

সংসদ সদস্য হতে এসে ইসিতে আটক ৭ জন

বগুড়া-১ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচন করে এমপি হওয়ার আশায় ধরা খেলেন ৭ জন। প্রার্থী হতে এসে মো. আব্দুল মান্নানসহ মোট ৭ জন। এরা হলেন বগুড়ার মো. সোহেল রানা ও মো. সুলতান, নোয়াখালীর মো. রুবেল, কক্সবাজারের মো. মাহবুবুর রহমান হৃদয়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীরর মো. লাবলু ও ময়মনসিংহের ফুলপুরের মো. নূরুল ইসলাম। তারা সবাই রাজারবাগ পুলিশ লাইনে বিভিন্ন ক্যান্টিনে কাজ করেন।

সংসদ নির্বাচন আইন অনুযায়ী, কেউ স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে সংশ্লিষ্ট আসনের ১ শতাংশ ভোটারকে সমর্থক হিসেবে দেখাতে হয়। এক্ষেত্রে ১ শতাংশের ভোটারের নাম ও স্বাক্ষরের তালিকা জমা দিতে হয় মনোনয়নপত্রের সঙ্গে। ১ শতাংশের ভোটারের নাম ও স্বাক্ষরের তালিকা জমা না দেওয়ায় রিটানিং কর্মকর্তা প্রথম এদের মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে এরা ইসিতে আপিল করেন। ইসিতে এসে ভুয়া ঠিকানা দেওয়ায় ধরা খেলেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বিপক্ষে যাওয়ায় আব্দুল মান্নান নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে আপিলের শুনানিতে তিনি ছয়জন সমর্থক নিয়ে আসেন। যারা ভূয়া ভোটার হিসেবে প্রতীয়মান হয়। ফলে আব্দুল মান্নান ও তার ছয় সহযোগীকে শের-ই-বাংলা নগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে নির্বাচন কমিশন।

আগামী ২৯ মার্চ বগুড়া-১ উপ নির্বাচন। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য এতো চেষ্টা কেন, এমন প্রশ্নে জবাবে মান্নান বলেন, হিরো আলম বগুড়া-৪ আসন থেকে যদি খাড়াতে পারে। আমি কেন পারবো না। তাই খারাইতে চাইছিলাম। একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় আইনজীবি আইন নিয়ে আসছিলাম। সমস্যা হয় নাই। এইবার নিজেই হিচিং করসে আইসা ধরা খাইলাম।

  • সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ