পেঁয়াজ বাংলাদেশকে না দিলেও মালদ্বীপকে দিচ্ছে ভারত

0
1030

নিজস্ব প্রতিবেদক(মাস্টার বিডি):-বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভা’রত। দেশটিতে পেঁয়াজের ঘাটতিও দেখা দিয়েছে। রাজ্য ভেদে ৬০ থেকে ১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

তবে ঘাটতির অজুহাতে বাংলাদেশকে পেঁয়াজ না দিলেও মালদ্বীপকে ঠিক দিচ্ছে ভা’রত। নিজের দেশে ঘাটতি থাকায় ‘আম’দানি করে’ মালদ্বীপে পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশটি।

পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য ভা’রতের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল মালদ্বীপ। ভা’রতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশে পেঁয়াজের সংকট থাকা সত্ত্বেও মালদ্বীপে পেঁয়াজ রফতানি করবে ভা’রত। এতে পরিমাণেরও কোনো হেরফের হবে না। আগে দেশটিতে যে পরিমাণ পেঁয়াজ রফতানি হতো সেই পরিমাণই রফতানি করা হবে পেঁয়াজ।

মালদ্বীপে নিযুক্ত ভা’রতীয় মিশন রোববার এক টুইট বার্তায় জানায়, ‘আম’রা আমাদের বন্ধু মালদ্বীপকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, টানা দাম বৃদ্ধি ও দেশে এক লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও মালদ্বীপে পেঁয়াজ রফতানি করতে চাই ভা’রত।’

ভা’রতে রান্নার নিত্য অনুষঙ্গ পেঁয়াজের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। চাহিদা মেটাতে আ’ফগা’নিস্তান, তুরস্ক, ই*রান ও মিশর থেকে পেঁয়াজ আম’দানি করতে হয় ভা’রতকে। সূত্র বলছে, শুধু পেঁয়াজই নয়, সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মালদ্বীপে রফতানি অব্যাহত রাখবে ভা’রত।

চাহিদা মেটাতে এক লাখ টন পেঁয়াজ আম’দানি অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভা’রতের খাদ্যমন্ত্রী রাম বিলাস পাসওয়ান। সম্প্রতি ভা’রত সফরে বাংলাদেশে ভা’রতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের বিষয়ে অনেকটা কৌতুকের ছলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের একটা সমস্যা হয়েছে…আপনারা পেঁয়াজ পাঠাচ্ছেন না। তাই আমি পেঁয়াজ খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছে। রন্ধনশালার কর্মীদের তরকারিতে পেঁয়াজ না দিতে বলেছি।

ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো পণ্য রফতানি বন্ধ করার আগে জানালে বাংলাদেশ পণ্য সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিতে পারে।’ ২৯ সেপ্টেম্বর ভা’রত পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ায় বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। কেজিপ্রতি পেঁয়াজ বর্তমানে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email